Software review |
|||||
এক্সপি সেটাপ এর আগে-পরে |
|||||
তথ্য প্রযুক্তিকে ঘিরে বিশ্ব জুড়ে চলছে সুবিশাল পদচারনা, এগিয়ে যাচ্ছে পৃথীবির মানুষ, প্রত্যেকটি মানুষই চায় সবকিছু ডিজিটাল পদ্ধতিতে তার সমস্ত কাজগুলো সেরে ফেলতে, আর এই জন্য আমাদের দেশের মানুষেরাও দিন দিন এগিয়ে আসছে কম্পিউটার এর মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ গুলো নিমিষেই সেরে নিতে। একটা কথা ইতোমধ্যে সবাই জানেন যে, একটি কম্পিউটার কিছুই করতে পারে না যতন না একজন কোন একটি আদেশ করে কম্পিউটারকে। আর কম্পিউটার এর কাজ গুলো হয় মুলতঃ সফ্টওয়্যার এর উপর ভিত্তি করে, তাই কোন নতুন একটি সফটওয়্যার প্রথম বার ব্যবহার শুরু করার আগে ওই সফটওয়্যার এর ট্রাম্স এন্ড এগ্রিমেন্ট ভালো করে পড়ে নেয়া উচিৎ এবং ওই সফ্টওয়ার এর সকল অপশন ঘেঁটে দেখবেন যদি সম্ভব হয় তাহলে সফটওয়ার হেল্প মেনু অথবা এবাউট থেকে সেটির নিজস্ব ওয়েব সাইট এ গিয়ে বিস্তারিত জেনে বুঝে নেয়া। এাছাড়া আপনি উক্ত সফটওয়্যার এর অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন, আর এ জন্য পরে আফসোস করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। যেমন ধরুন আপনি যখন ইন্টানেট এক্সপ্লোরার অথবা ফায়ার ফক্সে এ বিভিন্ন সাইট ব্রাউজ করছেন এবং সেখান থেকে পছন্দনীয় ও প্রয়োজনীয় সাইট গুলো বুকমার্ক বা ফেবারিট করে রাখছেন, পরবর্তীতে অনায়াসে সেই সাইগুলো পাওয়ার জন্য, হয়তো পরে বহুবার আপনি বুকমার্ক কৃত সাইগুলো ব্যবহার করেছেন সহজেই, কিন্তু কম্পিউটার ফরমেট অথবা অপারেটিং সিস্টেম সেটাপ দেওয়ার পর আর সেগুলো পাচ্ছেনা না। প্রিয় পাঠক নিশ্চই আপনার ইতোপূর্বে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনার কথা মনে পরছে সাথে সাথে আফসোস হচ্ছে। এই জন্য আপনি যেটা করতে পারেন- ইন্টানেট এক্সপ্লোরার এ বিভিন্ন সময়ে ফেবারিট করা সাইটগুলো কম্পিউটারের সি ড্রাইভে, ডকুমেন্ট এন্ড সেটিং ফোল্ডারে আপনার ব্যক্তিগত ইউজার একাউন্টে ঘুকলেই দেখতে পাবেন ফেবারিট নামক একটি ফোল্ডার, এখানে সব দেখা যাচ্ছে, কম্পিউটার ফরমেট দেওয়ার আগের মুহুর্তে ফোল্ডারটি কপি করে অন্য ড্রাইভে সেভ করে রাখুন এবং সেটাপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, আবার উক্ত স্থানে পেস্ট করে নিন। এবার ব্রাউজার ওপেন করে দেখুন সব আগের মতই রয়েছে। এই ব্যপারটি মজিলা ফায়ারফক্সে কিছুটা ভিন্ন রকম, ফায়ারফক্সে বুকমার্ককৃত আইকনগুলো কোন নিদ্রিষ্ট ফোল্ডারে জমা হয় না, তাই এটা এক্সপোর্ট করে অনত্র সরিয়ে রাখতে হয়, কম্পিউটার সেটাপ দেওয়া আগ মুহুর্তে; চলুন দেখা যাক কিভাবে এই প্রক্রিয়া টি সম্পন্ন করবেন। ফায়ারফক্সের বুকমার্ক মেনু থেকে অর্গনাইজ বুকমার্ক এ কিক করলে লাইব্রেরী নামক একটি ডায়ালগ বক্স দেখতে পাবেন, সেখান থেকে ইম্পোট এন্ড বেকাপ মেনু থেকে এক্সপোর্ট এইচটিএমএল এ কিক করে একটি ফাইল, (সি ব্যতিত) অন্য ড্রাইভে সংরন করুন। আপনার উইন্ডোজ সেটাপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ফায়ারফক্স ইনস্টল করুন। আবারও ফায়ারফক্সের বুকমার্ক মেনু থেকে, অর্গনাইজ বুকমার্ক এ কিক করলে লাইব্রেরী নামক একটি ডায়ালগ বক্স দেখতে পাবেন, সেখান থেকে ইম্পোট এন্ড বেকাপ মেনু থেকে এবার ইমপোর্ট এইচটিএমএল এ কিক করে পূর্বে সেভকরা এইচটিএমএল ফাইলটির লোকেশন এ গিয়ে ফাইটি ওপেন করুন। এবার বুকমার্ক মেনুটির দিকে ল্য করুন, দেখুন পূর্বের ন্যায় হয়ে গেছে।
এবার ইয়াহু মেসেঞ্জার এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করবো; যারা দীর্ঘদিন যাবত কম্পিউটার ও ইন্টারনেট নিয়ে রয়েছেন তারা কম্পিউটার ওপেন করার সাথে সাথেই মেসেঞ্জার ওপেন করেন এবং চলতে থাকে বিভিন্ন কন্টাকের সাথে খোস গল্প, কিন্তু কিছুদিন পরে অনেক সময় প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায় গত কয়েকদিনে কোন একটি কন্টাকের সাথে কি কি আলাপ চারিতা হয়েছে, এই আলাপ চারিতা সংরনের জন্য রয়েছে বিশাল ইয়াহু আর্কাইভ, এর জন্য প্রথমেই আপনাকে মেসেঞ্জার মেনু থেকে পারফামেন্স কিক করে কেটাগরি এর নিুোক্ত আর্কাইভ এ কিক করলে দেখতে পাবেন, আর্কাইভে মেসেসগুলো সেভ রাখা বিষয়ক ৩টি অপসন। এই অপসন সাধারণত ডিফল্ট হিসাবে ম্যাসেস সেভ না হওয়ার রেডিও বাটন চেক করা থাকে, আপনি চেক করবেন, প্রথম অপসন টি (ইয়েস, সেভ অল অফ মাই মেসেজ) এর পর এপ্লাই ওকে বাটনে কিক করে বের হয়ে আসুন। এর পর থেকে যত খোসগল্পই করতে থাকুন না কেন সব আর্কাইভে সেভ হতে থাকবে। যখন আপনার কম্পিউটার ফরমেট দেওয়ার প্রয়োজন হবে, তখন উক্ত সেভকৃত মেসেজগুলো সি ড্রাইভের প্রোগ্রাম ফাইল এ ইয়াহু মেসেঞ্জার ফোল্ডারে আপনার উল্লেখিত প্রোফাইলের ভিতরে আপনার ব্যবহারকৃত ইউজার আইডি এর ফোল্ডারে আর্কাইভ নামক একটি ফোল্ডার প্রদর্শিত হবে, সেখানে দেখতে পাবেন কিছু ফোল্ডার যাদের সাথে ইতোপূর্বে তথ্য আদান প্রদান করেছিলেন সবগুলো আর্কাইভ ফোল্ডার কপি করে অন্যত্র সরিয়ে রাখুন, এবং সেটাপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে উক্ত স্থানে পেষ্ট করে নিন। এর পর ইয়াহু মেসেঞ্জার চালু করে দেখুন আপনার সকল আর্কাইভ, পুনরায় প্রদর্শিত হচ্ছে। একটি কম্পিউটার আপনার অদ ব্যবহারের ফলে এমনকি ব্যাপারটি বুঝে ওঠার আগেই যেকোন মুহুর্তেই এক্সপি সেটাপ এর প্রয়োজন পরে। এই জন্য নিয়ম করে প্রতি সপ্তাহে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো কপি করে অনত্র সংরন করুন। যেহেতু ফাইলগুলো নিজেথেকেই অন্য ড্রাইভে সেভ হয় না। আবার কিছু সফটওয়ার রয়েছে যার সাথে প্রয়োজনীয় ফাইগুলো অন্য ড্রাইভে লোকেশন দেখিয়ে দিলে নিজে নিজেই উক্ত ড্রাইভে চলে যায়, এই রকম সুবিধাধারী সফ্টওয়ার গুলোর লোকেশন অন্য ড্রাইভে লোকেট করে দেওয়াই উত্তম। যেমন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার। সাধারনত যখন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে কোন ফাইল ডাউনলোড করা হয় তখন ডিফল্ট ভাবে মাই ডকুমেন্টে ফাইলগুলো সেভ হতে থাকে, এতে হঠাৎ করে এক্সপি সেটাপ দিলে উক্ত ডাউনলোডকৃত ফাইলগুলো আর পাওয়া যায় না, আর এই জন্য যা করবেন সফটওয়ার এর ডাউনলোড মেনু থেকে অপশন এ যান, এর পর সেভটু বাটনে কিক দিয়ে নিচে প্রদর্শিত ডিফল্ট ডাউনলোড ডাইরেক্টরি এর পাশে ব্রাউজ বাটনে কিক দিয়ে (সি ব্যতিত) অন্য ডাইভের একটি ফোল্ডার এ লোকেট করে দিলে ফাইল গুলো সেখানে ডাউনলোড হতে থাকবে, এতে আপনার অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করলেও উক্ত ফাইগুলো থাকবে সুরতিভাবে। ডেস্কটপে এবং মাই ডকুমেন্টে প্রয়োজনীয় ফাইল না রাখাই ভালো; প্রয়োজনে অন্য ড্রাইভে একটি ফোল্ডার তৈরী করে সেই ফোল্ডারের একটি সর্টকার্ট ডেক্সটপে রাখুন, প্রয়োজনীয় ফাইলটি সবসময় উক্ত সর্টকার্টের উপর ড্রাগ এন্ড ড্রপ করুন, এতে ফাইলটি অনেক দুরে থাকলেও খুবই কাছে থেকেই একসিস করতে পারবেন। কম্পিউটার বন্ধ করার আগে ডিস্ক কিনার অথবা সিসি কিনার সফটওয়্যার দিয়ে কম্পিউটারের অপ্রয়োজনীয় ফাইল গুলো মুছে দিলে অপারেটেং সিস্টেম এ কোন রকম চাপ সৃষ্টি হয় না এতে আপনার অপারেটেং সিস্টেমটি দীর্ঘ সময় ধরে চললেও কোন সমস্যা হয় না। |
|||||
| Copyright © 2008-2010 mirrorbd.com All Right Reserved |